খবর

কাঠগড়ায় সৎকারের জন্য বরাত পাওয়া সংস্থা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, হু হু করে প্রতি নিয়ত বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের গ্রাফ। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু মিছিল। আত্মীর পরিজনকে হারিয়ে যখন সর্বশ্রান্ত পরিবার তখনই এক ভয়ঙ্কর অভিঞ্জতার সাক্ষী থাকল দুর্গাপুর বাসী। মৃতদেহ দাহ করা নিয়েও দুর্গাপুর শ্মশানে চলছে ব্যবসা। দীর্ঘদিন ধরেই এমনই অভিযোগ উঠছিল। এবার তা হাতে নাতে ধড়া পড়লো। বুধবার গভীর রাতে সেই ছবি ধরা পড়ল আমাদের ক্যামেরায়। গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়ছ মৃতদেহ দাহ করার জন্য কি ভাবে চলছে শ্মশানে দর কষাকষি। কারর কাছে ১০হাজার আবার কারর কাছে চাওয়া হচ্ছে ১৫হাজার টাকা। আর এমনই টাকা ডিমান্ড করছেন দাহ করার জন্য বরাত পাওয়া সংস্থা।শধু টাকা ডিমান্ড করাই নয়, টাকা না দিলে দাহ করা তো দূরঅস্ত গাড়ী থেকেই নামানো হবে না মৃতদেহ সাফ দাবী দাহকরার জন্য বরাত পাওয়া সংস্থার। ঘটনা চরমে উঠতেই ঘটনার খবর জানানো হয় কোকওভেন থানার পুলিশকে। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় পুলিশ। বরাত পাওয়া ঐ সংস্থাকে ওয়ার্নিং দেওয়ার পাশাপাশি, এরকম কাজ না করার জন্য অনুরোধ জানান পুলিশ।শুধু দাহ করার জন্য নয়, শব্বাহী শকটেও চলছে কালোবাজারী, অভিযোগ মৃতের পরিবারের প্রায় ৫ঘন্টা বাকবিতন্ডা চলার পর ভোর ৪টে নাগাদ ৪৫০০টাকার বিনিময়ে দাহ করা হয় মৃতদেহ। এক প্রকার পুলিশের কথাকেও অমান্য করে নিজেদের কথাতে অনড় থাকলো ঐ সংস্থা। এই ঘটনার পরই বিধস্ত ঐ পরিবার। এই ঘটনার পরই মৃতের পরিবার মহকুমা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।এ প্রসঙ্গে মহকুমা শাসক অর্ঘ্য প্রসূন কাজী জানন, দ্রুত ঘটনার তদন্ত করা হবে, এই চক্রের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার জানান, দ্রুত ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে, দোষীদের বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ান হবে।তবে এই ঘটনা ক্ষোদ শহরের বুকে চলতে থাকায় এক প্রকার হতাশ শহরের বাসীন্দারা। আদেও কি এই ব্যবস্থা কড়া হাতে দমন করতে উদ্যোগী হবে প্রশাসন, নাকি স্বজন হারানোর যন্ত্রনার পর এই ভাবেই ব্লাক্মেলের শিকার হতে হবে সাধারণ মানুষকে এটাই এখন প্রশ্ন শিল্পাঞ্চল বাসীর।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button