Uncategorized

খাবেন কি? সংসার চলবে কি ভাবে? চিন্তায় তারা

এরা সকলেই দিনমজুর, মাটি কাটা সহ অনান্য কাজ করে জীবন অতিবাহিত করতেন এরা। প্রতিদিনই দুর্গাপুর সহ বিভিন্ন এলাকার
বাসীন্দারা আসতেন তাদের সাথে যগাযোগকরতেন কাজের জন্য। কিন্তু করোনা অতিমারির প্রকোপ, আর সেই প্রকোপের হাত থেকে সাহারণ
মানুষকে রক্ষা করতে রাজ্যসরকার রবিবার থেকে ৩০ শে মে পর্যন্ত ঘোষণা করেছেন লকডাউনের। আর এই লক ডাউনই যেন কাল হয়ে
বসলো এই দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলোর জন্য। দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন বাঁকুড়া মোড় অঞ্চলে প্রায় ২৫০ জন মানুষ আসেন প্রতিদিন
মজুরের কাজের জন্য। কিন্তু লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন তারা। কি ভাবে চলবে সংসার? কো্থা থেকে আসবে অর্থ? দু বেলা দুমুঠো
অন্ন পাবেন কোথায়? গভীর চিন্তার ছাপ এখন স্পষ্ট এই দিন মজুরদের চোখে মুখে। করোনার ভয় তাদেরও আছে। কিন্তু পেটের দায়ে তাদের
কেও বেড়োতে হচ্ছে কাজে। সংসার চলবে কি ভাবে? না খেতে পেয়েই মরতে হবে।

লকডাউন তাই বন্ধ পরিবহন। বাঁকুড়া থেকেই সাইকেল চালিয়ে দুর্গাপুর এসেছেন শ্যামাপদ, দিন মজুরের কাজ করে দু পয়সা রোজকার
করবেন বলে। কিন্তু করোনা সংক্রমন তাই সকাল থেকে কাজের আসায় বসে থেকেও মিলল না ডাক। বাধ্য হয়েই খালি হাতে বাড়ী ফিরতে
হলো শ্যামাপদ, মহেশ, বরেনদের। বাড়ীতে খাবার নেই, নেই টাকা তাই অশান্তি, এই দুর্বিসহ সময়ে কি করবেন? ভেবে পাচ্ছেন না তারা।

লকডাউন, কড়া প্রশাসন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, গৃহবন্দী মানুষ, যেন ২০২০র লকডাউনের ভয়াভয় স্মৃতী আবারও ফিরে পেল
মানুষ। কিন্তু এই অসহায় মানুষদের পাশে এসে দাঁড়াবে কে? দু মুঠো দুবেলা অন্ন এই দিন মজুরদের মুখে তুলে দেবে কারা? আদেও কি এদের
পাশে এসে দাঁড়াবে কোন সেচ্ছাসেবী সংঘটন? এখন সেটাই দেখার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button