শনিবার অর্থাৎ পহেলা ফেব্রুয়ারি বিকেলে দুর্গাপুরের লাল ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দুর্গাপুর সাবডিভিশন স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনায় অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্যায়ের খেলা। প্রতিযোগিতায় দুর্গাপুর মহকুমা মোট বারোটি দল অংশগ্রহণ করেছিল একের পর এক খেলায় অংশগ্রহণ করে। অবশেষে চূড়ান্ত পর্যায়ে খেলায় দুর্গাপুর হিরোজ এবং বটতলা ইয়ং ফ্রেন্ডস পরস্পর মুখোমুখি হয়। এই টুর্নামেন্টের প্রসঙ্গে দুর্গাপুর সাব ডিভিসনাল স্পোর্টস স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক অসীম দে জানান বিভিন্নভাবে তারা ফুটবলার তৈরির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের আর্থিক সক্ষমতা না থাকার কারণে সেভাবে কোন কোচিং ক্যাম্প গড়ে তুলতে পারছেন না।
আজ আজ অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্যায়ের খেলায় নির্ধারিত সময়ে কোন দলই কোন গোল করতে না পারায় ম্যাচ পরিচালকের সিদ্ধান্তে খেলা টাই ব্রেকারে গড়ায়। টাই টাই বেকারেও কোন নিষ্পত্তি না হওয়ায় সাডেন ডেথ পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। সাডেন ডেথে জয়সূচক গোলটি করে অনূর্ধ্ব ১৭ চ্যাম্পিয়ন হয় “দুর্গাপুর হিরোজ”। এদিন চূড়ান্ত পর্যায়ের খেলায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর নগর নিগম প্রশাসক বোর্ডের সদস্য ধর্মেন্দ্র যাদব, দূর্গাপুর সাবডিভিশনাল স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক তাপস সরকার এবং যুগ্ম সম্পাদক অসীম দে সহ দুর্গাপুরের এক ঝাঁক প্রাক্তন ফুটবলার। যদি ও আজকের এই চূড়ান্ত পর্যায়ের খেলায় খুব ভালো ফুটবল দেখতে পাননি মাঠে উপস্থিত ক্রীড়া উৎসাহী দর্শকরা, প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখা দরকার। রাজ্যের সমস্ত জেলাতেই জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে কিন্তু পশ্চিম বর্ধমান জেলায় কিছু অজানা কারণে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আজ পর্যন্ত তৈরি হয়নি। এর ফলে পশ্চিম বর্ধমানের উদীয়মান ফুটবলারদের একমাত্র ভরসা পূর্ব বর্ধমান ফুটবল এসোসিয়েশনের ওপর। এর ফলে দুর্গাপুর থেকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না কোন ভালো ফুটবলার একটা সময় যেখানে দুর্গাপুর ছিল ফুটবলের সাপ্লাই লাইন। আজ কোন অদৃশ্য কারণে তা হারিয়ে যেতে বসেছে।
সমরেন্দ্র দাস, Lcw India দুর্গাপুর