দুর্গাপুরের বীরভান পুর মহাশ্বাসনে তিন দিন ধরে পড়ে রয়েছে গাড়ি ভর্তি স্তূপাকৃত বেওয়ারিশ দেহ। গাড়ি থেকে ঝরে পড়ছে রক্ত রস। সেই দুর্গন্ধে নাজেহাল অবস্থা শশানে আসা শ্মশান যাত্রীদের। জ্বালানি কাঠের সংকট সেই কারণেই নাকি এই দুরাবস্থা। পরিজনদের দেহ দাহ করতে এসে কেউ মুখে বাঁধছেন কাপড়, কেউ আবার গামছা কেউ বাঁধছেন রুমাল! দুর্গাপুর মহাশ্মশানে দাহ করতে এসে শ্মশান যাত্রীরা কি জানালেন শুনে নেওয়া যাক।

এমনকি স্থানীয়দের অভিযোগ তারা বীরভানপুর মহাশ্মশানের কালী মন্দিরে পূজা দিতে আসছেন আতঙ্কের মধ্যে। যেভাবে রক্ত রস গড়াচ্ছে, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, তাতে যে কোন সময় রোগ ছড়াতে পারে এলাকায়। পরিবার-পরিজন তথা শিশুদের নিয়ে শ্মশানের ত্রি সীমানায় আসা যাচ্ছে না! দুর্গাপুর নগর নিগমের এই ধরনের কর্মকাণ্ডে তীব্র কটাক্ষ করে বিজেপি জেলা সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় জানান “শুধু শ্মশানে নয় দুর্গাপুর নগর নিগামে ও দুর্গন্ধ উঠে গেছে”।
২৬ শে মার্চ থেকে দেহগুলি দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল থেকে আনা হয়েছিল। জ্বালানির জন্য রাখা কাঠ শেষ হয়েছে ২৭শে মার্চ সেই জন্যই এই দেহগুলি দাহ করা সম্ভব হয়নি ২৮ তারিখে অমাবস্যার জন্য দাহকার্য বন্ধ ছিল। ২৯ তারিখ অর্থাৎ শনিবার রাতে দেহগুলি দাহ করা হবে বলে জানান দুর্গাপুর নগর নিগমের প্রশাসক মন্ডলীর সদস্যা রাখি তেওয়ারি।
তিন দিন ধরে পড়ে রয়েছে বেওয়ারিশ লাশ। কাঠের যোগান দিতে পারেনি তাই দাহ করা সম্ভব হয়নি। যারা শ্মশানে আসছেন দুর্গন্ধে তারা শারীরিক অস্থিরতা ভোগ করছে। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন পরিজনদের দেহ দাহ করতে আসা শ্মশানযাত্রীরা।
সমরেন্দ্র দাস, Lcw India দুর্গাপুর