বসন্ত পঞ্চমীতে রাজ্যের নানা প্রান্তের সঙ্গে দুর্গাপুরও মাতোয়ারা হয়ে ওঠে বাকদেবী সরস্বতীর আরাধনায়। এই উপলক্ষে দুর্গাপুরে একাধিক সরস্বতী পূজা মন্ডপ ঘুরে দেখা গেল ভিন্ন ভিন্ন থিম, ভাবনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সুন্দর প্রকাশ।

প্রথমেই নিউটন আরিয়ান বয়েজ ক্লাব তাদের ১৮তম বর্ষের থিম ছিল ‘বাংলার শিল্পকলা’। এই পূজোর উদ্বোধন করেন আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত। উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি চন্দন দত্ত ও বিশিষ্ট সমাজসেবী বানটি সিং। সরস্বতী পুজো উপলক্ষে চার দিন অস্থায়ী মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় নানান সংস্কৃতি অনুষ্ঠান। পাশাপাশি পাশাপাশি পুজোর উদ্বোধনী সন্ধ্যা, দুশো জন পিছিয়ে পড়া পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে নতুন স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

পরবর্তীতে আমরা পৌঁছাই জে সি বোস স পুকুরপাড় চলন্তিকা অ্যাথলেটিক ক্লাবে। তেত্রিশ তম বর্ষে পদার্পণ করা এই ক্লাব বিগত কয়েক বছর ধরে ক্লাব সংলগ্ন পুকুরের মাঝেই মন্ডপ নির্মাণ করে আসছে। ব্যাতিক্রমী এই মন্ডপ দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন দুর্গাপুরের কৌতুহলী দর্শনার্থীরা।

এরপর দুর্গাপুর ভলিবল ক্লাব যাদের ৪২ তম বর্ষের থিম ছিল ভারতীয় মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিমা ও আলোক সূর্য মন্ডপটি নজর করে দর্শকদের।

পরবর্তী সরস্বতী মন্ডপ ভারতী স্পোর্টিং ক্লাব। ২৬ তম বর্ষে পা রাখা এই পুজোতে ছিল সুন্দর মন্ডপ, কিউটি সরস্বতী প্রতিমা ও মনমুগ্ধকর আলোকসজ্জা, যা সমগ্র এলাকাকে আলাদা করে উজ্জ্বল করে তোলে।

সবমিলিয়ে দুর্গাপুরের সরস্বতী পুজোর ধরা পরল শিল্প, সংস্কৃতি, সামাজিক দায়িত্ব ও সৃজনশীলতার এক সুন্দর মিলন।।
সমরেন্দ্র দাস, Lcw India দুর্গাপুর

