ইভটিজিং এর অভিযোগ কে কেন্দ্র করে দুর্গাপুর ইস্পাত নগরী বি-জোনের চন্ডীদাস এলাকায় চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মুখোমুখি হয়ে পড়ে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী দল বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয় পুলিশকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে বি-জোন এলাকায় এক মহিলাকে ইভটিজিং করার অভিযোগ ওঠে বিজেপির এক কর্মীর বিরুদ্ধে। তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু কর্মী অভিযুক্ত কে ধরে ফেললে তিনি বিজেপি যুবনেতা পারিজাত গাঙ্গুলীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এরপর সেই বাড়িতেই অভিযুক্তর ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তে বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য পারিজাত গাঙ্গুলী বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই জেলা সহ সভাপতি চন্দ্রশেখর ব্যানার্জি সহ একাধিক বিজেপি নেতাকর্মী বি-জেন ফাঁড়িতে পৌঁছান। অন্যদিকে থানার বাইরে তৃণমূল কংগ্রেসের এক নম্বর ব্লক সভাপতি রাজীব ঘোষ, তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের নেতা বান্টি সিং, তৃণমূল যুব নেতা মনোজ চাঁদ সহ বহু তৃণমূল কর্মী সমর্থক জড়ো হলে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শুরু হয় স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান। আপনার প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা রাজিব ঘোষ বলেন, “বিজেপির এক কর্মী স্থানীয় এক মহিলাকে ইভটিজিং করে। আমাদের কর্মীরা অভিযুক্তকে ধরে ফেললে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেয়।”
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপি নেতা পারিজাত গাঙ্গুলী বলেন, “যদি সত্যিই ইভটিজিং এর ঘটনা ঘটত তাহলে সংশ্লিষ্ট মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করতেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ জমা করেনি। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তিনি বিজেপির সক্রিয় কর্মী। উল্টে আমার বাড়িতে ঢুকে আমাকেও আমার পরিবারের সদস্যদের ধাক্কাধাকি ও হেনস্থা করা হয়েছে।”
এরপর বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য পারিজাত গাঙ্গুলী সংবাদ মাধ্যমকে একটি সিসিটিভি ফুটেজ দেয়। সেই সিসিটিভি ফুটেজ আমরা দেখাচ্ছি।
পুরো ঘটনা কে কেন্দ্র করে দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর বি-জোন এলাকায় থমথম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দু দলের কর্মী সমর্থকদের ফাঁড়ি এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে পুলিশ।
সমরেন্দ্র দাস, Lcw India দুর্গাপুর

