দুর্গাপুরে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী বিশ্বাস ও ভরসার একমাত্র নাম অনুরাগ ইনফোমার্ট। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালের সম্মুখে অবস্থিত তাদের অন্যতম শাখা সমীর ডিজিটাল এ অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী ও সমাজসচেতন অনুষ্ঠান।

২৬ জানুয়ারি ২০২৬ এই দিনটা ভারতের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যয় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। কারণ এই দিনটি আর কখনো ফিরে আসবে না সেই ভাবনাকেই সামনে রেখেই অনুরাগ ইনফোমার্ট এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করলো একটু অন্যরকম, ভাবে এক অভিনব প্রথায়। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি এদিন সম্মান জানানো হয় সেই সমস্ত অনলাইন ডেলিভারি সংস্থার কর্মীদের যারা সারা বছর নিজেদের জীবন বিপন্ন করে আমাদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনিয় নানা জিনিস পৌঁছে দেন। তাদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ২৬ জন অনলাইন ডেলিভারি রাইডারদের হাতে ২৬ টি সুরক্ষা হেলমেট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী রাজিব ঘোষ, মনোজ চাঁদ, শেখর রাম, অনুরাগ ইনফোমার্ট এর কর্ণধার মিঠুন দাস সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব।
এই অভিনব উদ্যোগ সম্পর্কে সমাজসেবী রাজিব ঘোষ বলেন, “সারা বছর ধরেই অনুরাগ ইনফোমার্ট এবং সমীর ডিজিটাল তাদের ব্যবসার লভ্যাংশের একটা অংশ সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে ব্যয় করে। এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে অনলাইন ডেলিভারি রাইডারদের সুরক্ষার কথা ভেবে হেলমেট প্রদান করা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই উদ্যোগ সমাজের জন্য এক বড় বার্তা।”

অন্যদিকে অনুরাগ ইনফোমার্ট এর কর্ণধার মিঠুন দাস বলেন, “ক্রেতারাই আমাদের ভগবান তাদের কাছ থেকে অর্জিত লাভের একটি অংশ নিয়ে আমরা সারা বছরই বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড করে থাকি। প্রজাতন্ত্র দিবসে ২৬ জন অনলাইন ডেলিভারি বয় এর হাতে হেলমেট তুলে দিতে পেরে আমরা গর্বিত।”

এই সম্পূর্ণ আয়োজনের নেপথ্যে ছিল সমীর ডিজিটাল এর কর্ণধার সমীরের চিন্তাপ্রসূত ভাবনা। তার পরিকল্পনাতেই কর্পোরেট অনলাইন ডেলিভারি কর্মীদের সুরক্ষার বার্তা সমাজের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে।
এই অনুষ্ঠান আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রজাতন্ত্র দিবস কেবল পতাকা উত্তোলন বা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় দেশের প্রকৃত শক্তি সেই মানুষরা যারা নিরবে সমাজের চাকা সচল রাখেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিন্ত করা মানেই দেশের ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত করা। অনুরাগ ইনফোমার্ট ও সমীর ডিজিটালের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজের অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিকেও অনুপ্রাণিত করবে — যাতে ব্যবসার সঙ্গে মানবিকতা ও সামাজিক দায়িত্ব সমানতালে এগিয়ে চলে।
সমরেন্দ্র দাস, Lcw India দুর্গাপুর

