ডি এ ভি শিক্ষা পরিবারের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দুর্গাপুরে দুদিনের সফরে উপস্থিত ছিলেন ডিএভি কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও আর্য প্রাদেশিক প্রতিনিধি সভার সভাপতি পদ্মশ্রী পুনম সুরি এবং তার স্ত্রী মনি সুরি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএভি ম্যানেজিং কমিটির ডিরেক্টর ড: নিশা পেনিস, ডিএভি মডেল স্কুল দুর্গাপুরের চেয়ারম্যান ড: এস কে পাল, ম্যানেজার এন কে মোহন্ত সহ বিভিন্ন ডিএভি স্কুলের অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ।

পদ্মশ্রী পুনম সুরীর দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা সঞ্চার করে। এদিন ডি এ ভি কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পুনম সুরি বলেন, এই ৫০ বছরে দুর্গাপুর ডিএভি স্কুলের কতটা উন্নতি হয়েছে তা আপনাদের চোখের সামনেই রয়েছে। তিনি বলেন দেখুন প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী এটা স্কুলের গৌরবের দিক বা পরিসংখ্যান নয়। স্কুলের সুনাম তখনই হবে যখন এই স্কুল থেকে কোনো ছাত্র-ছাত্রী পাশ করে অন্য জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হবে পাশাপাশি তার মানসিক ব্যবহার যতটা সুমধুর হবে তখনই স্কুলের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে।

বক্তব্যে বৈদিক মূল্যবোধের সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন পদ্মশ্রী পুনম সুরি। ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করা ডিএভি মডেল স্কুল দুর্গাপুর আজ প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী আড়াইশো জন শিক্ষক শিক্ষিকার এক বিশাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

সুবর্ণজয়ন্তী সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবি দত্ত, দুর্গাপুর মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখার্জি এবং দুর্গাপুরের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুলের অধ্যক্ষ সহ বিশিষ্ট অতিথিরা। ডিএভি ইনস্টিটিউট পশ্চিমবঙ্গ অঞ্চলের আঞ্চলিক কর্মকর্তা ও ডিএভি মডেল স্কুলের অধ্যক্ষা পাপিয়া মুখার্জি বলেন, “বৈদিক সংস্কৃতির ভিত্তিতে আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে আমাদের লক্ষ্য।”

সকাল থেকে বৈদিক মতে হোম যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থাপনায় পরিবেশিত হয় সংগীত লোকনৃত্য সহ বিভিন্ন ধরনের সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্মরণিকা অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সেজে উঠেছিল সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে।
সমরেন্দ্র দাস, Lcw India দুর্গাপুর

