সিটি সেন্টারে একটি বেসরকারি হোটেলে, শ্লীলতাহানি, লুটপাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য দুর্গাপুরে!

দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি অভিজাত হোটেলে সোমবার বিকেলে ব্যাপক ভাঙচুর মারধর ও লুটপাটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো। অভিযোগের তীর স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে। হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি প্রায় 40 জনের একটি দল আচমকার হোটেল ঢুকে কর্মীদের উপর হামলা চালায় ঘটনায় আহত হয়েছেন হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার সহ একাধিক কর্মী মহিলা কর্মীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ সোমবার বিকেলে হোটেল পার্ক প্রাইমের একটি হলে কর্মীদের মাসিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। সেই সময় আচমকা একদল ব্যক্তি হোটেলে ঢোকে।
প্রথমে তাঁদের সাধারণ অতিথি বলেই মনে করা হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ হামলাকারীরা হোটেলের ভেতরে ভাংচুর চালানোর পাশাপাশি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করে। হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার তুহিন শুভ্র পাল দাবি করেন, হামলাকারীরা নিজেদের বিজেপি কর্মী বলে পরিচয় দিচ্ছিল। তিনি বলেন, “আমি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করি। বিজেপি নেত্রী মনীষা জানান দল থেকে এমন কোন নির্দেশ দেওয়া হয়নি। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ওরা হোটেলের কর্মীদের উপর হামলা চালায় আমার কানের পর্দা ফেটে গিয়েছে।”

হোটেল কর্তৃপক্ষের আরো অভিযোগ হামলাকারীরা হোটেল থেকে লক্ষ্যাদিক টাকা গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং সিসিটিভি-র হার্ড ড্রাইভ নিয়ে যায়। ঘটনায় এক প্রাক্তন লিজ হোল্ডারের নাম উঠে এসেছে অভিযোগ হামলার সময় তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক রেষারেষি নাকি ব্যবসায়িক বিভাগ তা নিয়ে ইতিমধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছে। হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি প্রাক্তন যারা গ্রহিতা তথা বিজেপি নেত্রী মিতা মাহাতোর নির্দেশেই এই হামলা চালানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া এখনো মেলেনি। ঘটনার প্রসঙ্গে বিজেপি জেলা মুখপাত্র সুমন্ত মন্ডল জানান, “পার্ক প্রাইম হোটেল নিয়ে একটা ইতিহাস লেখা হয়ে যাবে। এখন যারা দায়িত্বে আছেন তাদের কাছে ব্যবসার বৈধ কোন কাগজপত্র আছে কিনা সেটাও সন্দেহজনক।”

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।।
ব্যুরো রিপোর্ট, Lcw India দুর্গাপুর

