বিধানসভা নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে। এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ শাসক ও বিরোধী — দুই পক্ষই। রাজনৈতিক টানা পোড়েনর মাঝেই ঘাঁটি শক্ত করতে মাঠে নেমেছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল আইএসএফ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যেমন বাড়ছে সদস্য সংখ্যা তেমনি দুর্গাপুরে ফরিদপুরের জেমুয়া এলাকাতেও দলীয় পতাকা হাতে মিছিলের নামলো আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা। দুর্গাপুর ফরিদপুরের জামা এলাকায় দেখা গেল আইএসএফের শক্তি প্রদর্শন মিছিল জুড়ে উঠল একটা স্লোগান — “শিরায় শিরায় রক্ত ভাইজানের ভক্ত”। আইএসইএফ কর্মীদের দাবি তৃণমূল ও বিজেপির অপসাশনের বিরুদ্ধে মানুষ এবার বিকল্প খুঁজছে। সেই বিকল্প হিসেবেই আইএসএফের দিকে ঝুকছেন সব ধর্মের মানুষ। আরএসএফ সদস্য শেখ আব্দুল মান্নান জানান, “তৃণমূল আর বিজেপির অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আওয়াজ তুলেছে পাড়ায় পাড়ায় পতাকা বাঁধা হচ্ছে। ২০২৬ জনসভা নির্বাচনে এই এলাকা থেকে প্রার্থী দেওয়ার দাবি জানাবো নওশাদ সিদ্দিকীর কাছে।”

তবে আই এস এফ এ সক্রিয়তা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখার্জি। তিনি বলেছেন, “মোট ভাগ করার চক্রান্ত করছে বিজেপি তৃণমূলের কিছু ভোট কমতে পারে, কিন্তু তৃণমূলকে হারাতে পারবে না।”
এদিকে এই রাজনৈতিক সমীকরণে আই এস এফ কে ঘিরে আরো এক ধাপ কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপি মুখপাত্র সুমন্ত মন্ডল বলেছেন, “আইএসএফ আসলে তৃণমূলেরই একটা অংশ ভোটের আগে এসব নাটক চলছে।”
সব মিলিয়ে 2026 বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ময়দানে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। আইএসএফের এই শক্তিপ্রদর্শন আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে সেদিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
সমরেন্দ্র দাস, Lcw India দুর্গাপুর

