দুর্গাপুরের জংশন মল সংলগ্ন একটি বেসরকারি হোটেলের বিতর্কে নতুন মোড়। হোটেলে ভাঙচুর ও কর্মীদের মার্কেটের অভিযোগের পর বুধবার সাংবাদিক পরিষদ করে সমস্ত অভিযোগ খারিজ করলেন ব্যবসায়ী মিতা চ্যাটার্জী মাহাতো। তাঁর দাবি,” আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন আমি ওই দিন একাই হোটেলে গিয়েছিলাম।”

মিতা চ্যাটার্জি মাহাতো জানান এক সময় ওই হোটেলটির তার ভিজেছিল ২০২২ সালে বৈধ লীগ এগ্রিমেন্ট থাকা সত্ত্বেও তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হোটেলটি রোজভ্যালি গোষ্ঠীর সম্পত্তি হওয়ায় হাইকোর্ট, ইডি এবং অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটির নির্দেশে পড়ে তাঁকে পুনরায় হোটেলের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বর্তমান হোটেল পরিচালনায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রোজ ভ্যালি চিটফান্ডের যোগ থাকার অভিযোগ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত মঙ্গলবার হোটেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় নেতা চ্যাটার্জি মাহাতো ও আরো দুজন হোটেলের প্রবেশ করে কর্মীদের মারধর করেন এবং সার্ভার রুমে ভাংচুর চালান। এই ঘটনায় দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
যেদিন সাংবাদিক বৈঠকে পাল্টা হোটেলের বর্তমান জেনারেল ম্যানেজার তুহিন শুভ্র পাল ডিরেক্টর তুহিন দিয়ে এবং নির্মল চৌধুরীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনেন মিতা। তাঁর দাবি ২০২৩ সালে ওই হোটেলে মধুচক্র চালানোর অভিযোগ উঠেছিল এবং সেই ঘটনায় তিনিই এফ আই আর দায়ের করেছিলেন। এরপর থেকেই পরিকল্পিতভাবে তাঁর হাত থেকে লীজ কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

হোটেল কে কেন্দ্র করে দু পক্ষের পরস্পর বিরোধী অভিযোগ ঘিরে দুর্গাপুরে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই নজর সকলের।।
ব্যুরো রিপোর্ট, Lcw India দুর্গাপুর

