দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নেই বিড়াল, কুকুর ও সাপের কামড়ানোর প্রতিষেধক!
চরম উত্তেজনা দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে!

এই অভিযোগে সোমবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল চত্বর। ভ্যাকসিন না পাওয়ার অভিযোগ তুলে হাসপাতালের মূল গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিক্ষোভ। যার জেরে হাসপাতালের পরিষেবাও কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিড়াল, কুকুর সহ হিংস্র জীবজন্তুদের কামড়ের পর চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় অন্তর ভ্যাকসিন নিতে আসলেও হাসপাতাল থেকে বারবার জানানো হচ্ছে ভ্যাকসিন মজুত নেই। ফলে বহু রোগীকে হয় খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে, নয়তো বাইরে থেকে চড়া দামে ভ্যাকসিন কিনতে বাধ্য হতে হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ। হাসপাতালের মূল গেট বন্ধ করে চলে বিক্ষোভ।

উত্তেজনাপ পরিস্থিতি সামাল দিতে পৌঁছে নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের আরও দাবি, ভ্যাকসিন না থাকলেও সেই বিষয়ে আগে থেকে কোনও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। দূরদূরান্ত থেকে হাসপাতালে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে শেষে ভ্যাকসিন না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে রোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের। পাশাপাশি হাসপাতালের কিছু কর্মী ও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন তাঁরা। বিক্ষোভকারী কবিতা বাগদির , “একবার নয়, বারবার একই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। সময়মতো ভ্যাকসিন না পেলে রোগীর শারীরিক ঝুঁকি বাড়ছে। অথচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনও স্থায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”

হাসপাতালের সুপার ডাঃ ধীমান মণ্ডল জানান, “ভ্যাকসিন সরবরাহ কিছুটা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। সেই কারণেই সময়মতো সব রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি।” প্রায় এক ঘন্টা পর পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
সমরেন্দ্র দাস, Lcw India দুর্গাপুর

